স্ত্রীর পরিবর্তে অন্য কাউকে ভালো লাগতেই পারেঃ শ্রীলেখা মিত্র

গত সপ্তাহ থেকে কাঞ্চন মল্লিককে নিয়ে একের পর এক গুঞ্জন চলছে টলিপাড়ায়। বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছেন কাঞ্চন, এমনই অভিযোগ উঠেছে তাঁর বিরুদ্ধে।

যাকে নিয়ে এই অভিযোগ, সেই শ্রীময়ী চট্টরাজ বারবার দাবি করছেন, কাঞ্চন ও তাঁর স্ত্রী পিঙ্কির সম্পর্কের মাঝে তাঁকে শিখণ্ডী করা হচ্ছে। কাঞ্চন মল্লিককে নিয়ে যখন সরগরম টলিউড, তখনই এই বিষয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্র।

দীর্ঘদিন বাংলা ছবিতে কাজ করছেন শ্রীলেখা। একসাথে কাজ না করলেও কাঞ্চন মল্লিকের সমসাময়িক তিনি। তবে কাজ করেছেন পিঙ্কির সাথে।

এই শ্রীলেখা প্রসঙ্গে বলেছেন, “পিঙ্কি খুব সাধারণ ও ভালো মেয়ে।” কাঞ্চনের সাথে কাজ না করায় তাকে নিয়ে কোনো ধরণের মন্তব্য করেননি শ্রীলেখা।

শ্রীলেখা আরও বলেছেন, “কে কার সঙ্গে প্রেম করবেন তা নিয়ে কিছু বলতে চাই না। তবে মিথ্যাচার ও অসততা নিয়ে আপত্তি আছে।”

শ্রীলেখা আরও বলেন, “স্ত্রীকে ভালো লাগছে না বা অন্য কাউকে ভালো লাগছে, সেটা সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত ব্যাপার। তবে সন্তানের সামনে এসব কাদা ছোঁড়াছুড়ি উচিত নয়। এতে সন্তানের উপর প্রচন্ড প্রভাব পড়ে।”

এই মুহূর্তে বিচ্ছেদ, পরকীয়ার খবর প্রায় দিনই আসছে টলিউড থেকে। কয়েক সপ্তাহ আগেই অভিনেত্রী নুসরত জাহানের বিচ্ছেদ ও অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবরে তোলপাড় হয়ে গিয়েছিল টলিপাড়া।

সেই রেশ কাটার আগেই কাঞ্চন মল্লিক ও শ্রীময়ী চট্টরাজের সম্পর্ক নিয়ে উত্তাল টলিউড। এসব খবর সামনে আসতেই মুখ খোলেন কাঞ্চনের স্ত্রী পিঙ্কি বন্দ্যোপাধ্যায়।

কাঞ্চন সন্তানের খোঁজখবর নেন না বলে অভিযোগ করেন তিনি। এরই মাঝে শনিবার রাতে চেতলার কাছে কাঞ্চন ও শ্রীময়ী তার উপর হামলা চালিয়েছে বলে পুলিশে অভিযোগ করেন পিঙ্কি। সন্তানের সামনেই বাক বিতণ্ডা চলে বলে অভিযোগ করেন পিঙ্কি।

পিঙ্কির অভিযোগ সামনে আসতেই পাল্টা অভিযোগ করেন শ্রীময়ীও। সংবাদমাধ্যমে শ্রীময়ী বলেন, সেদিন রাতে কাঞ্চন ও তিনি পিঙ্কির সাথে কথা বলে তাদের মধ্যের ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে নিতে গিয়েছিলেন।

কিন্তু পিঙ্কি রাস্তায় তাদের উপর চিৎকার করতে থাকেন। এমনকি পিঙ্কির দাদা তথা কাঞ্চন মল্লিকের শ্যালক তাঁদের মারতে যান বলেও অভিযোগ শ্রীময়ীর।

শ্রীময়ী আরও অভিযোগ করেছেন, পিঙ্কি এসব করে প্রচার পেতে চাইছেন। কাঞ্চন মল্লিক যদিও এইসব বিষয়ে এখনো কোনো কথাই বলেননি সংবাদমাধ্যমে।

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *