আমি নিজেকে আপনার কাছে বিক্রি করতে চাই

#বেখেয়ালি_হিমু ” আমি নিজেকে আপনার কাছে ‘বিক্রি করতে চাই। কিন্তু বিনিময়ে আমা’র অনেক টাকা চাই।” নির্ঝরের বাড়ির দরজায় দাড়িয়ে নির্ঝরকে কথাটা বললো তৃষ্ণা।

নির্ঝর ‘হতভম্ব হয়ে তাকিয়ে আছে তৃষ্ণার দিকে। সে তার নিজের কানকে বিশ্বা’স করতে পারছে না। তৃষ্ণার এইমাত্র বলা কথাটা কি সে আদৌ ঠিক শুনেছে!

— কোন খেয়ালে হারিয়ে গেলেন? আপনি তো চাচিকে মাত্র পাঁচ লাখ টাকা দিয়ে আমাকে কিনে নিয়েছিলেন তাই না! কিন্তু আমি এতোটাও ভ্যালুলেস নই যে আমা’র দাম মাত্র পাঁচ লাখ টাকা হবে।

— দেখিয়ে দিলে তো নিজের আসল রূপটা! আমি জানতাম তুমি একটা খারাপ মেয়ে। লুক ইউ প্রুভড্ মি রাইট। তুমি নিতান্তই লোভী আর সুবিধাবাদী একটা মেয়ে।

— আপনার এতো কথা আমি শুনতে চাই না। আমি শুধু টাকা চাই। যদি টাকা দিতে পারেন তবেই আপনার কাছে থাকবো আর আপনার সব কথা শুনবো। নয়তো পালিয়ে যাব’ো এখান থেকে।

— এমাউন্ট বলো শুধু। — বিশ লাখ টাকা দিবেন আমাকে। বিনিময়ে আমি আপনার সব কথা শুনবো।

— এসে পরলে তো নিজের লেভেলে! ইউ আর স্টিল ভ্যালিউলেস টু মি। পেয়ে যাব’ে তোমা’র টাকা।

— আজকে দিনের মধ্যে আমা’র দশ লাখ টাকা চাই। বাকি টাকা’টা কিছুদিন পরে হলেও হবে। নির্ঝর তৃষ্ণার ব্যবহারে কিছুক্ষণ থম মে’রে দাড়িয়ে তৃষ্ণার মুখ বরাবর স্থির দৃ’ষ্টি রাখে। তৃষ্ণার এই রূপ তার মেনে নিতে ভীষণ ক’ষ্ট হচ্ছে।

সে জানতো এটাই তৃষ্ণার আসল রূপ কিন্তু সেই রূপ টা নিজের চোখে দেখতে তার কলিজা টা ছিড়ে যাচ্ছে। তবুও নিজেকে যথা সম্ভব শান্ত রেখে নির্ঝর তৃষ্ণার দিকে তাকিয়ে একটা তাচ্ছিল্যের হাসি হাসলো।

— দুপুরের মধ্যে দশ লাখ ক্যাশ পেয়ে যাব’ে।

নির্ঝরের সাথে আর কথা না বাড়িয়ে ওপরের ঘরে চলে এলাম যেখানে আমাকে আট’কে রাখা হয়েছিল। ৫ পর্বের জন্য নেক্সট কমেন্ট না করে আইডিটা ফলোয়ান বা ফ্রেন্ড রিকোয়েস্ট দিয়ে রাখলে আমি পোস্ট করার সাথে সাথেই আপনাদের কাছে চলে যাব তৃষ্ণার যাওয়ার দিকে এক দৃ’ষ্টিতে তাকিয়ে আছে নির্ঝর।

জীবনের দ্বিতীয় ধাক্কা’টা সে আজ পেলো তৃষ্ণার আসল চেহারা টা দেখে। এতোদিন তৃষ্ণার প্রতি করা অ’ত্যাচারের জন্য নির্ঝরের মনে অনুশোচনা কাজ করলেও আজ যেনো সেটা কোথাও মিলিয়ে গেলো। এখন নির্ঝরের মনে হচ্ছে সে যা করেছে একদম ঠিক করেছে।

ঘরে ঢুকেই নিজেকে ওয়াশরুমে বন্দী করে নিয়ে শাওয়ারের নিচে ধপ করে বসে পরলাম। কয়েক ঘন্টার ব্যবধানে আরেক দফা ঝড় নেমে এলো আমা’র জীবনে। কোথায় আমি ভেবেছিলাম এই বন্দী কারা’গার থেকে মুক্তি পেয়েছি। কিন্তু ভাগ্য তো আমায় সেই কারা’গারেই এনে ফেলো দিলো!

কয়েক ঘন্টা আগে, ঘু’ম ভাঙতেই নিজেকে নির্ঝরের বুকে আবি’ষ্কার করলাম। লোকটা এতোটা বাজে যে আমি প্রতিবার তার খারাপ দিক গু’লো দেখে আগের থেকেও বেশি ‘হতাশ হই। এতোকিছু করার পর আবার আমাকে বুকে নিয়ে ঘু’মাচ্ছে। নির্ঝরের বুক থেকে আস্তে করে নিজেকে সরিয়ে নিলাম।

নির্ঝরের শরীর থেকে বিশ্রি ম’দের গন্ধ আসছে। না জানি কতো ম’দ গিলেছেন সারারাত। বিছানা থেকে উঠে ব্যালকোনির সামনে গিয়ে দাড়াতেই দেখলাম ব্যালকোনির কাচ খোলা। হয়তো ম’দের নে’শায় নির্ঝর কাচ লক করতে ভুলে গেছেন। এই সুযোগ টা হাত ছাড়া করা যাব’ে না কিছুতেই।

ধীর পায়ে আলমা’রি খুলে আমা’র পড়ে আসা বিয়ের শাড়িটা বের করে ব্যালকোনির রেলিং এর সাথে শক্ত করে বেঁধে নিলাম। পুনরায় ঘরের সামনে এসে নির্ঝরকে একনজর দেখার উদ্দেশ্যে কাচের আড়াল থেকে ভিতরের দিকে তাকালাম। এখানে আসার পর থেকে শুধু যাওয়ার চিন্তাই করেছি।

কিন্তু আজ যখন চলে যাচ্ছি তখন বুকের বা পাশে চিনচিনে ব্যথা করছে। নির্ঝরের ঘু’মন্ত মুখটার দিকে তাকিয়ে মনে হচ্ছে সময় যদি এখানেই থেমে যেতো! কিছুক্ষণ সময় এভাবেই পার করে দিয়ে শাড়ি বেয়ে নেমে পরলাম।

আবছা আলো আর আবছা অন্ধকারের খেলা খেলছে প্রকৃতি। ভোরের সময়, পক্ষীকূল ছাড়া আর কেউ নেই রাস্তায়। পিচঢালা রাস্তা দিয়ে গন্তব্যহীন ছুটে চলছি। বহু ক’ষ্টে নির্ঝরের গার্ডদের নজর এড়িয়ে পালিয়েছি। চাচির কাছে যেতে পারবো না, চাচি আবার নির্ঝরের কাছে ফিরিয়ে দেবে।

এখন আমা’র একটাই যাওয়ার জায়গা আছে। তন্ময়! একমাত্র তন্ময়ই আছে যে আমাকে নিস্বার্থ ভাবে বিশ্বা’স করে। আমা’র কেয়ার করে। তন্ময় আমাকে ফিরিয়ে দেবেন না, আমা’র সমস্যা টা বুঝতে পারবেন! কতোদিন হয়ে গেছে তিতলিকে দেখি নি। তিতলিকে বুকে জরিয়ে ঘু’ম পাড়িয়ে দেই নি। না জানি আমা’র মেয়েটা আমাকে ছাড়া কিভাবে আছে!

রাস্তায় জগিং করতে থাকা এক মহিলার কাছে থেকে মোবাইল নিয়ে তন্ময়কে ফোন দিলাম। তন্ময়কে ফোন দিলে তন্ময় একটা হাসপাতালের ঠিকানা দিলো যাওয়ার জন্য। কার শরীর খারাপ হলো? তন্ময় অ’সুস্থ নয়তো? হাসপাতাল কাছে থাকায় হেটেই রওনা হলাম। কিছুক্ষণ হাটার পর হসপিটালে পৌঁছে গেলাম।

হসপিটালের করিডোরে এপাশ থেকে ওপাশ পায়চারি করছে তন্ময়। আমাকে দেখে চোখের পানি ছেড়ে দিলেন সে। কিছুই বুঝতে পারছি না অ’সুস্থ কে?

— তন্ময় আপনি কাঁদছেন কেনো? আর হসপিটালে এডমিট কে?

— তিতলি! তিতলি ভালো নেই তৃষ্ণা। তিতলির হার্ট ট্রান্সপ্ল্যান্ট করতে হবে।

তন্ময়ের মুখ থেকে তিতলির অ’সুস্থার কথা শুনে মনে হলো আমা’র মাথায় আকাশ ভেঙে পরলো। বিশ্বা’স করতে পারছি না আমা’র তিতলি, আমা’র পিচ্ছি সোনার হার্ট ট্রান্সপ্ল্যান্ট করতে হবে!

— আপনি এসব কি বলছেন? কখন হলো এসব? কিভাবে হলো?

— তুমি যাওয়ার পর তোমা’র জন্য কান্না করতে করতে তিতলি অজ্ঞান হয়ে যায়। হসপিটালে আনলে ডাক্তার বলে দ্রুত হার্ট ট্রান্সপ্ল্যান্ট করতে হবে।

— আমা’র তিতলি কেমন আছে? কোথায় আমা’র কলিজার টুকরা? আমাকে নিয়ে চলেন ওর কাছে! আমি সামনের দিকে এগিয়ে গেলে তন্ময় আমা’র হাত টেনে ধরলেন।

— তিতলির সাথে ডাক্তার দেখা করতে বারণ করেছে। তিতলির সামনে কথা বলা যাব’ে না। আমা’র বুক ফেঁটে কান্না আসছে, এতোটুকু বাচ্চা মেয়ের সাথেই কেনো হলো এসব? আমা’র সাথেও তো ‘হতে পারতো!

তন্ময় আমাকে তিতলির কেবিনের বাইরে থেকে তিতলিকে দেখালেন। হসপিটালের একটা কেবিনে কি সুন্দর ঘু’মিয়ে আছে। আমি ভিতরে ঢুকতে চাইলেও তন্ময় আমাকে ঢুকতে দিলেন না।

— ডাক্তার কি বলেছে? তিতলির ট্রিটমেন্টের প্রগ্রে’স কতোদূর?

— ট্রিটমেন্ট শুরু হয় নি। বিশ লাখ টাকা লাগবে তিতলির ট্রিটমেন্টে।

— বিশ লাখ!

— তুমি তো জানোই তৃষ্ণা আমি ছোট একটা চাকরি করি। স্বপ্নেও বিশ লাখ টাকা জোগার করা আমা’র পক্ষে সম্ভব নয়। তাই হাল ছেড়ে দিচ্ছি ধীরে ধীরে। হয়তো তিতলিকে আর বাঁচাতে পারবো না।

— নাআ! এসব আপনি কি বলছেন? আমা’র মেয়েকে আমি বাঁচাবো। কিছু হবে না তিতলির। আমি টাকা জোগার করবো।

– তুমি এতো টাকা কোথায় পাবে?

– যেভাবেই হোক আমি সব টাকা জোগার করবো। প্রয়োজনে নিজেকে ‘বিক্রি করে দেবো! তবুও তিতলিকে কিছু ‘হতে দেবো না।

— আজকে ‘বিকেলের মধ্যে দশ লাখ টাকা পেলে তিতলির ট্রিটমেন্ট শুরু করা যাব’ে।

— আপনি সব প্রিপেয়ার করুন আমি ‘বিকেলের আগেই আপনার কাছে টাকা পৌঁছে দেবো!

— তুমি এতোদিন কোথায় ছিলে তৃষ্ণা? তিতলির অ’সুস্থায় আমি তোমা’র খুঁজ করতে পারি নি। চাচি বলেছিল সে নাকি তোমায় বেঁচে দিয়েছে?

— থাক সেসব কথা। আমি যাচ্ছি। টাকা পৌঁছে দেবো। তিতলিকে দেখে রাখবেন। হসপিটাল থেকে বেরিয়ে এলাম। এতোগু’লো টাকা এই মুহূর্তে আমাকে শুধু নির্ঝরই দিতে পারবেন। তার বিনিময়ে সে কি চায় সেটাও আমি জানি। কিন্তু এই মুহূর্তে আমা’র কাছে আর কোনো পথ খোলা নেই। তিতলির জীবন বাঁচানোর জন্য আমা’র নিজের জীবন বাজি রাখতেও আমি প্রস্তুত!

ওয়াশরুমের দরজায় ধাক্কার শব্দে ধ্যান ভেঙে গেলো আমা’র। বাইরে থেকে নির্ঝর রাগি কন্ঠে ডাকছেন, হোয়াট আর ইউ ডুয়িং? বের হও। ফা’ষ্ট! চট জলদি গোসল সেরে নিলাম। বের হওয়ার আগে পরলাম বিপদে।

আমা’র তো কোনো কাপড়ই নেই পরার মতো। যাও একটা শাড়ি ছিল সেটাও ভিজে গেছে। কিছুক্ষণ চিন্তা করে ওয়াশরুমে রাখা বাতরোবটা পরে বেরিয়ে এলাম।

নির্ঝর ম’দের গ্লাস হাতে বিছানায় বসে আছেন। আমি বেরুতেই তার দৃ’ষ্টি আমা’র দিকে দিলেন। উনার চোখ আমা’র সারা শরীরে বিচরণ করছে। বাতরোবটা একটু টেনে টুনে ঠিক করে ঘরের ভিতরে ঢুকে গেলাম।

নির্ঝর ম’দের গ্লাসে চুমুক দিচ্ছেন আর আড়চোখে আমাকে দেখছেন। তার দৃ’ষ্টিতে নে’শা লেগে আছে। সেটা ম’দের নে’শা নাকি আমা’র শরীরের সেটা বুঝতে পারছি না। এতোদিন যার থেকে আমি পালিয়ে এসেছি, আজ তার কাছে নিজেকে সপে দিতে হবে! ভাবতেই দুচোখ ভেঙে কান্না আসছে।

নির্ঝর গ্লাসে চুমুক দিতে দিতে বললেন, — বিছানায় একটা প্যাকেট রাখা আছে। নিয়ে নাও।

— কি আছে? — নিজেই দেখে নাও। প্যাকেটটা খুলতেই পারপল কালারের একটা শাড়ি আর ম্যাচিং কিছু এক্সাসারিজ পেলাম। কিছু না বলে শাড়িটা নিয়ে ওয়াশরুমে চলে গেলাম। শাড়িটা পরে ওয়াশরুম থেকে বের হয়ে এলাম। নির্ঝর এখনও আগের ভঙ্গিতেই বসে আছেন। অবশ্য এখন তার হাতে ম’দের সাথে সিগারেটও আছে। একটা লোক এতো ড্রিংক কিভাবে করতে পারে! সারা দিন হাতে ম’দ আর সিগারেট। অ’সহ্যকর!

— ‘বিকেলে তৈরি থেকো।

— কেনো?

— কাজী সাহেব আসবেন।

— কেনো?

— আমা’দের বিয়ে করানোর জন্য।

— কিহ?? — হ্যাঁ। ‘বিকেলে আমা’দের বিয়ে হচ্ছে।

— আপনার কি মাথা খারাপ হয়ে গেছে? আমি আপনাকে বিয়ে কেনো করবো? এটা তো কথা ছিল না!

— দেন কি কথা ছিল?

— কথা হয়েছিল আপনি আমাকে টাকা দিবেন বিনিময়ে আমি আপনার সব কথা শুনবো।

— ইক্সাক্টলি। তুমি আমা’র কথা শুনতে বাধ্য। আর আমি চাই আমা’দের বিয়ে হোক।

— কিন্তু আমি আপনাকে বিয়ে করবো না। আর এমনিতেও আপনার বিয়ে ঠিক হয়ে আছে।

— দ্যাটস্ নান অফ ইউর বিজনেস। আমি যেটা চাই তুমি সেটাই করবে।

— না আমি এটা করতে পারবো না।

— তাহলে আমি তোমাকে আর কোনো টাকাও দেবো না। আজকে একদিন এখান থেকে পালিয়ে গিয়েছো বলে নিজেকে কি মনে করছো? একবার নির্ঝর আহমেদ চৌধুরী ভুল করেছে বলে কি বারবার সেটা রিপিট করবে? You are wrong. তুমি আমা’র নে’শার ঘোরে হওয়ার সুযোগ নিয়েছো। বারবার এটা পারবে না। সো আমাকে রাগিও না। যদি টাকা গু’লো চাও দেন ম্যারি মি!

অ’সহায় দৃ’ষ্টিতে উনার দিকে তাকিয়ে আছি। একটা মেয়ে হয়ে অন্য একটা মেয়ের জীবন আমি কিভাবে ন’ষ্ট করতে পারি! যার সাথে নির্ঝরের বিয়ে ঠিক হয়ে আছে, তার মনটা ভেঙে যাব’ে। হয়তো এই প্রতারণা টা সে কখনও মেনে নিতে পারবে না। ভিতর থেকে শেষ করে দেবে ওই মেয়েটাকে। কিন্তু আমিও যে নিরুপায়! তিতলিকে বাঁচাতে হলে আমা’র টাকা’টা লাগবেই। কিছুক্ষণ চুপ করে থেকে নির্ঝরকে হ্যাঁ সম্মতি দিয়ে দিলাম।

— ওহ ওয়ান মোর থিং। আমি কিন্তু তোমাকে সারা জীবনের জন্য বউ বানাচ্ছি না।

— মানে? কি বলতে চাইছেন?

— আই উইল ম্যারি ইউ ফর থ্রি মান্থস্। তারপর তোমাকে ডিভোর্স দিয়ে দেবো।

— কিহ! তিন মাসের জন্য মানে? — এই তিন মাস তুমি আমা’র সাথে থাকবে। তুমি তো নিজেকে আমা’র কাছে ‘বিক্রি করে দিয়েছো। এখন তোমা’র সাথে শারীরিক সম্পর্ক করলেও তুমি আমাকে বাঁধা দিতে পারবে না। কিন্তু ইউ নো হোয়াট আমি এতোটা খারাপ নই যে বিয়ে ছাড়া শারীরিক সম্পর্ক করবো।

— ছিঃ! আপনি কতোটা বাজে! আমা’র দুর্বলতার সুযোগ এইভাবে নিচ্ছেন।

— ওয়েট দুর্বলতার সুযোগ মানে! তুমি নিজের লোভে আমা’র কাছে নিজেকে ‘বিক্রি করেছো। সো আমা’র সামনে নিজেকে অবলা প্রমাণ করার কোনো প্রয়োজন নেই। আমি তোমা’র নাটকে পরছি। তোমা’র এই চোখের পানির মায়াজালে আমাকে আট’কাতে পারবে না।

নির্ঝর আমাকে কিছু বলার সুযোগ না দিয়েই সেখান থেকে চলে গেলেন। হাটু ভেঙে ধপ করে মাটিতে বসে পরলাম। এবার আর আমা’র চোখের পানি বাঁধ মানছে না। এতোটা নিকৃ’ষ্ট আমি কিভাবে ‘হতে পারলাম! নিজেকে ‘বিক্রি করে দিলাম, এখন অন্য একটা মেয়ের ঘর ভাঙতে যাচ্ছি। এ কোন খেলায় আট’কে গেলাম আমি!

Related Posts

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *